এরই মধ্যে দেড় শতাধিক বেসামরিক নাগরিককে কারখানা থেকে সরিয়ে আনা হয়েছে। এখনো সেখানে শিশুসহ প্রায় ২০০ বেসামরিক নাগরিক অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় আজভ রেজিমেন্টের কমান্ডার দেনিস প্রোকোপেঙ্কো বলেছেন, ‘শত্রুদের বিরুদ্ধে আমার সেনারা যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তাতে আমি গর্বিত...পরিস্থিতি খুবই কঠিন।’

কারখানা এলাকায় আটকে পড়া ব্যক্তিদের জীবন বাঁচাতে জাতিসংঘের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ফোনে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে প্রত্যেকেই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের বাঁচাতে আমরা আপনাদের সহায়তা চাই।’

এই সপ্তাহে জাতিসংঘ ও রেডক্রসের নেতৃত্বে সফলভাবে শতাধিক বেসামরিক লোকজনকে কারখানা থেকে সরিয়ে আনায় গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানান জেলেনস্কি। তবে আজভস্তাল থেকে আহত সবাইকে সরিয়ে আনতে সহায়তা করতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে আজভস্তাল কারখানা থেকে আরও বেসামরিক লোকজনকে সরে আসার সুযোগ করে দিতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। ৫, ৬ ও ৭ মে মস্কোর সময় সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারখানা থেকে বের হওয়ার পথ খোলা থাকবে।

অনলাইনে এক পোস্টে রুশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই সময় রুশ বাহিনী সব কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখবে এবং ইউনিটগুলোকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেবে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার পাশাপাশি শুরুতে উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিক থেকে স্থল অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। পরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে উত্তর দিক থেকে সেনা সরিয়ে পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে হামলা জোরদার করে মস্কো।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন