বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের সীমান্তসংলগ্ন প্রদেশ আপার অস্ট্রিয়া। ১৫ লাখ মানুষের বসবাস সেখানে। এ প্রদেশে অস্ট্রিয়ার সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে টিকাদানের হারও সেখানে সবচেয়ে কম।

এদিকে অস্ট্রিয়ায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ডসংখ্যক ১১ হাজার ৯৭৫ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। একে হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে দেশটির করোনাভাইরাস–সংক্রান্ত কমিশন। বিষয়টিকে ‘গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে’ বলে সতর্ক করেছে তারা।

কেমন হবে এই লকডাউন
অস্ট্রিয়ায় এর মধ্যেই টিকা না নেওয়া ব্যক্তিরা নানা নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন। রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল, সেলুনসহ নানা স্থানে প্রবেশে বাধা রয়েছে তাঁদের। তবে নতুনভাবে জারি করতে যাওয়া বিধিনিষেধ আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

নতুন বিধিনিষেধ কেমন হবে, তার আভাস দিয়েছেন চ্যান্সেলর আলেকজান্ডার শ্যালেনবার্গ। তিনি বলেন, যাঁরা টিকা নেননি, তাঁরা ঘরের বাইরে যেতে পারবেন না। তবে কর্মস্থলে যাওয়া, খাবার কিনতে বের হওয়া ও শরীরচর্চার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় মিলবে। যদিও এ ধরনের বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

এদিকে সংক্রমণ একইভাবে চলতে থাকলে অস্ট্রিয়ার অন্য অংশগুলোতেও টিকা না নেওয়াদের জন্য বিধিনিষেধ জারি করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন