বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের উত্থানের পর বেলজিয়ামসহ ইউরোপের দেশগুলো থেকে জিহাদে অংশ নিতে অনেকেই সিরিয়া ও ইরাকে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে প্রাণ হারান। অনেকে (বিশেষত নারী ও শিশুরা) বন্দিশিবিরে আটকা পড়েন।

এই ছয় নারীও একই উদ্দেশ্যে সিরিয়ায় গিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে আইএসের পতনের পর থেকে কুর্দিশ মিলিশিয়াদের তত্ত্বাবধানে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় রোজ ক্যাম্পে আটক ছিলেন তাঁরা।

বেলজিয়াম সরকার গত মার্চে সিরিয়ার শিবিরগুলো থেকে ১২ বছরের কম বয়সীদের দেশে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দেয়। এর অংশ হিসেবে অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের নিয়ে দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন ওই ছয় নারী। আপাতত ওই নারীদের ঠাঁই হয়েছে কারাগারে। আর ১০ শিশুকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্ডার দ্য ক্রো বলেন, শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে বেলজিয়ামের উগ্রবাদ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ওসিএএম বলেছে, আইএসের শিবিরে থাকা মা ও শিশুদের নজরদারিতে রাখা দরকার। বেলজিয়ামের মাটিতে এটা সহজে করা সম্ভব হবে।

শিশুদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংগঠন চাইল্ড ফোকাস বেলজিয়ামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেইদি দ্য পাউও বলেন, ‘সিরিয়া থেকে নারী ও শিশুদের ফিরিয়ে এনে বেলজিয়াম সরকার সাহসের পরিচয় দিয়েছে। যুদ্ধকবলিত সিরিয়ার বিপজ্জনক পরিবেশ থেকে এই ১০ শিশু ফিরে আসতে পেরেছে, এটাই সবচেয়ে বড় খুশির খবর।

আশা করব, এই শিশু তাদের শৈশবের বঞ্চনা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো অধিকারগুলোকে উপভোগ করতে পারবে।’

২০১২ সালের পর শুধু বেলজিয়াম থেকেই চার শতাধিক মানুষ জিহাদে অংশ নিতে সিরিয়া চলে যান। চলতি বছরের শুরুতে দেশটির গবেষকেরা জানান, আইএসের পতনের পর এখনো সিরিয়ায় ৪০টি বেলজিয়ান শিশু রয়ে গেছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন