পরে বরিস বলেন, ‘সহযোগীদের সঙ্গে একত্র হয়ে আমরা অর্থনৈতিক চাপ (রাশিয়ার ওপর) তৈরি করব।’
বরিস আরও বলেন, ‘আবারও স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইউক্রেন ঘুরে দাঁড়াবে, সে ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই। ইউক্রেনের জনগণের সাহসিকতা ও নির্ভীকতার মধ্য দিয়ে তা সম্ভব হবে।’

কিয়েভে জনসনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞার মাত্রা অবশ্যই বাড়াতে হবে।’

জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা সম্পর্কে জনসনকে অবহিত করেছেন তিনি। জেলেনস্কি আশা প্রকাশ করেন, এ প্রক্রিয়ায় লন্ডন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে কিয়েভে আবারও দূতাবাস খুলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরুর পর এ দূতাবাসকে অস্থায়ীভাবে পোল্যান্ডে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতিমালা-বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল ইউক্রেন সফর করেছেন। ইউক্রেনীয় প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শিমোয়হালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। বোরেল বলেন, অদূর ভবিষ্যতে ইইউ-ইউক্রেন অ্যাসোসিয়েশন কাউন্সিল গঠনের ব্যাপারে একমত হয়েছেন তাঁরা।