অপর একটি ভিডিওতে একটি গ্রামের রাস্তার ধারে দেয়ালের পেছনে সেনাসদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। ভিডিওটি ধারণকারী যোদ্ধাকে মার্কিন উচ্চারণে বলতে শোনা যায়, তাঁরা রাশিয়ার দখল থেকে গ্রামটি মুক্ত করেছেন।

প্রথম ভিডিওটি ধারণ করেছেন জেমস ভাসকুয়েজ নামের মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক এক সদস্য। তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র থেকে পোল্যান্ডে পৌঁছান তিনি। পরদিন সীমান্ত পেরিয়ে ইউক্রেনে প্রবেশ করেন। নজরদারির কাজে ব্যবহার করা একাধিক ড্রোন সঙ্গে এনেছেন ভাসকুয়েজ। ১৮ মার্চ ইউক্রেনের লিভিভ শহর থেকে তাঁকে সম্মুখযুদ্ধের জন্য পাঠানো হয়।

ইউক্রেনে যুদ্ধের নানা বর্ণনা দিয়েছেন জেমস ভাসকুয়েজ। তিনি বলেন, দেশটিতে বিভিন্ন তল্লাশিচৌকিতে তাঁকে মার্কিন পাসপোর্ট দেখাতে হয়েছে। এ সময় তিনি মার্কিন নাগরিক জেনে অবাক হন ইউক্রেনের সেনারা।

টুইটারে ভাসকুয়েজ লেখেন, ‘আমার অনেকটা মনে হয়, আমি একটি চমৎকার ও খুবই বিপজ্জনক ছুটি কাটাচ্ছি।’

এদিকে ইউক্রেনে যুদ্ধের ময়দানে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের নাগরিকেরাও। তাঁদের একজন শেন ম্যাথিউস। যুক্তরাজ্য থেকে ইউক্রেনীয় এক বন্ধুর সঙ্গে যুদ্ধ করতে এসেছেন সাবেক এই সেনাসদস্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, এই মুহূর্তে তিনি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উত্তর-পশ্চিমে ইরপিন শহরে অবস্থান করছেন।
ইউক্রেনে স্নাইপার চালনার পাশাপাশি একজন চিকিত্সক হিসেবেও কাজ করছেন শেন ম্যাথিউস। তিনি বলেন, ইরপিনে অনেক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে একটি পরিবারও। গোলার আঘাতে ওই পরিবারের চার সদস্যেরই প্রাণহানি হয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন