বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রুস্কয় বলেন, ‘অভিযানের প্রথম ধাপের প্রধান কাজগুলো শেষ হয়েছে। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধ–সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এর মধ্য দিয়ে দনবাসকে স্বাধীন করার প্রধান লক্ষ্যটি অর্জনের প্রচেষ্টায় মনোযোগী হতে পারব আমরা।’

এ রুশ কর্মকর্তা আরও বলেন, আট বছর ধরে এ অঞ্চলে (দনবাস) ইউক্রেনীয় বাহিনীগুলো ‘সুসজ্জিত প্রতিরক্ষা অঞ্চল’ তৈরি করেছে। এ অঞ্চলে জ্বালানি, গোলাবারুদসহ সামরিক রসদ সরবরাহের পথ বন্ধ করতে রুশ সেনারা গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনগুলো বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

চলমান অভিযানে রুশ বাহিনীর কেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে তথ্যও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেছেন সের্গেই রুস্কয়। তিনি বলেন, যুদ্ধে রুশ বাহিনীর ১ হাজার ৩৫১ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৮২৫ জন।

ইউক্রেনের দাবি, চলমান অভিযানে প্রায় ১৬ হাজার রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। রুশ বাহিনীর শত শত ট্যাংক, সাঁজোয়া যান ও বন্দুক ধ্বংস করা হয়েছে। অবশ্য যুদ্ধে নিজেদের পক্ষের কত সেনা নিহত হয়েছেন, সে ব্যাপারে মধ্য মার্চের পর আর কিছু জানায়নি ইউক্রেন। মধ্য মার্চে তারা ১ হাজার ৩০০ সেনার মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছিল। তবে রাশিয়ার শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কর্নেল জেনারেল সের্গেই রুস্কয়ের দাবি, যুদ্ধে ইউক্রেনের পক্ষের প্রায় ৩০ হাজার সেনা হতাহত হয়েছেন।

গতকাল রাশিয়ার সেনাপ্রধান ভালেরি গেরাসিমভও বলেছেন, তাঁদের যুদ্ধের এখন প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন