বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। রুশ সেনাদের রুখতে ইউক্রেনে শত শত কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের মিত্রদেশগুলো।

যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তা ভালোভাবে নেয়নি মস্কো। এ নিয়ে বারবার ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেছে তারা। অভিযোগ, ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের ‘আগুনে ঘি ঢালছে’। এমনকি পশ্চিমাদের পাঠানো এই অস্ত্র ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দেয় ক্রেমলিন।

ইউক্রেনে হামলার শুরুর দিকে রাশিয়ার লক্ষ্য ছিল দেশটিকে নাৎসি প্রভাবমুক্ত করা এবং সামরিকীকরণ থেকে বিরত রাখা। তবে পরে লক্ষ্যে পরিবর্তন আনা হয়। মস্কো জানায়, এখন ইউক্রেনের পূর্ব দনবাস অঞ্চলে অভিযান জোরদার করবে তারা। রাশিয়ার অভিযান ‘পরিকল্পনামাফিক এগোচ্ছে’ বলে সিনহুয়াকে জানিয়েছেন লাভরভ।

এদিকে পশ্চিমাদের অস্ত্রসরবরাহ রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট থামাতে শান্তি আলোচনায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে রাশিয়া। এ নিয়ে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আলোচনা চলছে, তবে অগ্রগতি কঠিন হয়ে পড়েছে।

দুই দেশের শান্তি আলোচনা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও। সম্প্রতি পোল্যান্ডের সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সংঘাত বন্ধের আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন