মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে যে ইউক্রেনে বড় ধরনের হামলা চালাতে রাশিয়া পরিকল্পনা নিয়েছে। তবে আক্রমণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পুতিন নিয়েছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

তবে এমন কোনো অভিপ্রায়ের কথা অস্বীকার করেছে রাশিয়া। মস্কোর পাল্টা অভিযোগ, ইউক্রেন তার নিজস্ব সেনাবাহিনী তৈরি করেছে।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, পুতিনের সঙ্গে আলাপে ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সামরিক তৎপরতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের কথা তুলে ধরবেন বাইডেন। এ ছাড়া ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের যে সমর্থন রয়েছে, সে কথাও তিনি পুনরায় ব্যক্ত করবেন।

ইউক্রেনের অভিযোগ, সীমান্তে সাঁজোয়া যান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ও ৯৪ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওলেকসি রেজনিকভ বলেছেন, মস্কো জানুয়ারির শেষে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করে থাকতে পারে।

২০১৪ সালে সামরিক অভিযান চালিয়ে ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। দেশটি ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে।