রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, ইউক্রেনে থাকা রাশিয়ার কূটনীতিকেরা হুমকি পেয়েছেন। সেখানকার রুশ দূতাবাস ও কনস্যুলেট বারবার হামলার শিকার হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেন এখন গভীর বিশৃঙ্খলায় নিমজ্জিত।

ইউক্রেন সংকটের প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু পশ্চিমা দেশ তাদের দূতাবাস দেশটির রাজধানী কিয়েভ থেকে পোলিশ সীমান্তের কাছের লভিভ শহরে স্থানান্তরিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বলে আসছে, ইউক্রেনে হামলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। যেকোনো সময় এ হামলা শুরু হয়ে যেতে পারে। তবে পশ্চিমাদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া।

ইউক্রেনে রুশপন্থী বিদ্রোহী–নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে গত সোমবার স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেখানে তিনি রুশ সেনা পাঠানোরও নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। পরে দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রি জারি করেন তিনি। এরপর রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান রুশ প্রেসিডেন্ট।

পুতিন তাঁর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক ‘প্রজাতন্ত্রের’ সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই দুই প্রজাতন্ত্রে সেনা পাঠানোর বিষয়ে এক ডিক্রিতে সই করেন তিনি। ডিক্রি অনুযায়ী, ওই দুই অঞ্চলে রুশ সেনারা ‘শান্তিরক্ষী’ হিসেবে কাজ করবেন।

পূর্ব ইউক্রেন সীমান্তে লক্ষাধিক রুশ সেনা মোতায়েন নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান উত্তেজনার মধ্যে পুতিনের এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি করেছে।

পুতিনের পদক্ষেপের পাল্টা হিসেবে রাশিয়ার ওপর স্মরণকালের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন