বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিদেশে পালিয়ে যাওয়া বিরোধী নেতারও নিন্দা জানান লুকাশেঙ্কো। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবেশী দেশে সামরিক অভিযানে বেলারুশিয়ান সামরিক বাহিনীও অংশ নেবে—এমন দাবি করে আসা মানুষ দ্বারা বিরোধী নেতা মানসিকভাবে প্রভাবিত হয়েছেন।
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ইউক্রেনে যুদ্ধ করতে বিরোধী কর্মীরা স্বেচ্ছাসেবী শাখা খুলছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘বাস্তবে তাহলে করা ইউক্রেনে যুদ্ধ করছে?’
লুকাশেঙ্কো মনে করেন, প্রতিবেশী দেশের সংঘাতে বেলারুশ অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে—বাইরের দেশগুলোর এমন অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, ‘আমাদের যুদ্ধে টেনে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এভাবে জনমতকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।’
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের কেবল একটা উপায়ে যুদ্ধে টেনে নিতে পারবে—আমাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানো হলে যদি তারা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। এ কারণে আমি চোখ-কান খোলা রেখেছি।’

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়া। প্রতিবেশী দেশ বেলারুশ থেকেও রুশ সেনারা ইউক্রেনে প্রবেশ করেন। সেদিন আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো বলেছিলেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনে রুশ অভিযানে বেলারুশের সেনারাও অংশ নেবেন।লুকাশেঙ্কো বলেছিলেন, ‘আমি আবার বলছি, আমাদের সেনারা সেখানে (ইউক্রেন) নেই। তবে যদি প্রয়োজন পড়ে, যদি বেলারুশ ও রাশিয়ার দরকার হয়, তাহলে তারাও অংশ নেবে।’

ইউক্রেনে হামলার ঘটনায় রাশিয়ার পাশাপাশি ক্রেমলিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব। এই যুদ্ধে বেলারুশের সরাসরি অংশগ্রহণের গুঞ্জনের মধ্যে সাংবাদিকদের ডেকে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সহায়তায় ক্ষমতা ধরে রাখা লুকাশেঙ্কো।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন