সফরকালে বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তাঁরা জোলিকে জানান,কর্তব্যরত একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ প্রতিদিন ১৫ জন মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবকেরা তাঁকে আরও জানান, রেলস্টেশনের অধিকাংশই শিশু, যাদের বয়স ২ থেকে ১০ বছর।

শিশুদের এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখে সহমর্মিতা প্রকাশ করেন জোলি। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা শিশুদের জন্য একটা ধাক্কা। আমি জানি মানসিক ধাক্কা কীভাবে শিশুদের জীবনে প্রভাব ফেলে। আমি জানি তাঁরা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তাদের কণ্ঠস্বর কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় স্টেশন চত্বরে থাকা একটি ছোট শিশুকে কোলে তুলে নেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তাঁর কোলে ওঠার পর শিশুটিকে খুবই উচ্ছসিত দেখাচ্ছিল। স্টেশন ত্যাগের আগে স্বেচ্ছাসেবী ও শিশুদের সঙ্গে ছবি তোলেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

গত মাসে যুদ্ধবিদ্ধস্ত ইয়েমেন সফর করেন জোলি। যুদ্ধের কারণে দেশটির লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন