বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন কিনতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি করে। এর জের ধরে ইইউয়ের শক্তিশালী অংশীদার ফ্রান্সের সঙ্গে ক্যানবেরার সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। কারণ, নতুন চুক্তির আগে ফ্রান্সের সঙ্গে করা চার হাজার কোটি মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি বাতিল করে অস্ট্রেলিয়া। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে ফ্রান্স।

চুক্তি ভঙ্গের পর ফ্রান্স জানায়, তারা অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আর মোটেও বিশ্বাস করছে না। দেশটির কর্মকর্তাদের মিথ্যা বলার অভিযোগও আনা হয়। দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রভাব ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনার ওপরেও পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইইউয়ের সঙ্গে বাণিজ্যিক আলোচনায় অংশ নিতে ইউরোপে যাওয়ার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ড্যান তেহানের। তাঁর এ যাত্রা বাতিল করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে এএফপিকে জানানো হয়েছে। তিনি বিবৃতিতে বলেন, ‘সাবমেরিন নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্তের জেরে ফ্রান্সের প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি আমাদের মাথায় রয়েছে। তবে সব দেশকে শেষ পর্যন্ত তাদের নিজেদের স্বার্থেই কাজ করা উচিত। অস্ট্রেলিয়াও এটাই করেছে।’

এদিকে স্থগিত হওয়া এই আলোচনা নিয়ে কথা বলতে আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্যবিষয়ক কমিশনার ভালদিস দমব্রোভিস্কিসের সঙ্গে দেখা করার ইঙ্গিত দিয়েছেন ড্যান তেহান। তিনি বলেছেন, ফ্রান্স এই বাণিজ্য আলোচনার জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যাবে। ফ্রান্স ও ইইউ—দুই পক্ষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ২০২০ সালে এই দুই পক্ষের মধ্যে শুধু পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়েছিল ৩৬ বিলিয়ন ইউরোর। পাশাপাশি একই সময়ে আদান–প্রদান হয়েছে সেবার। আর্থিক হিসাবে যার পরিমাণ ছিল ২৬ বিলিয়ন ইউরো।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন