বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এক দিনের ব্যবধানে এ অঞ্চলে সংক্রমণ দ্বিগুণ হয়েছে। গত সোমবার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল ৩ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি। ওই দিন মারা গিয়েছিলেন প্রায় ২ হাজার ৮০০ করোনা রোগী। এর আগের দিন মৃত্যু ছিল প্রায় ২ হাজার। আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২৮ হাজার মানুষ।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গতকাল ফ্রান্সে যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, তা ইউরোপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর আগে এক দিনের ব্যবধানে কোনো দেশেই এত বেশি রোগী শনাক্ত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বড়দিনের ছুটির কারণে তথ্যের প্রবাহ ঠিকঠাক নাও থাকতে পারে। এ কারণে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের আগের দিনগুলোর সংক্রমণের সংখ্যাও গতকালের তথ্যের মধ্যে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে ইউরোপের যে দেশগুলোয় গতকাল সংক্রমণের রেকর্ড হয়েছে, সেগুলোর অন্যতম ইতালি। দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৮ হাজার মানুষ। মারা গেছেন ১৭৫ জন। গ্রিসে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার। মারা গেছেন ৬১ জন। পর্তুগালে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার। মারা গেছেন ১৯ জন।

গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজারের বেশি মানুষ। মারা গেছেন ১৮ জন। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ইংল্যান্ডে তিনি আর নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করবেন না। থার্টিফার্স্ট নাইটে সেখানে নৈশ ক্লাবগুলো খোলা থাকবে। তবে বরিস জনসনের এ বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, বিজ্ঞানভিত্তিক যে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, তার থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে ইউরোপের আরেক দেশ জার্মানিতে নতুন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৩০ হাজার। মারা গেছেন ৪৪৮ জন। স্পেনে মারা গেছেন ১১৪ জন। তবে দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৯ হাজারের বেশি মানুষ। এক দিনের ব্যবধানে ইউরোপ সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে রাশিয়ায়—৯৩৫ জন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজারের বেশি মানুষ।

ইউরোপে অমিক্রনের সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও আশার বাণী শুনিয়েছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার জন বেল। তিনি বলেন, অমিক্রনে আক্রান্ত হলেও ঝুঁকি কম। এ ছাড়া যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, তাঁদের সেখানে অল্প দিন থাকতে হচ্ছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন