default-image

একসময় ইউরোপ হয়ে উঠেছিল করোনা মহামারির ‘হটস্পট’। পরে তা সরে যায় বিশ্বের অন্যান্য জায়গায়। এখন ইউরোপে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিবিসি অনলাইনসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করোনার প্রতিদিনের সংক্রমণ বাড়তির দিকে। এমনকি দৈনিক সংক্রমণের দিক দিয়ে করোনায় বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে ইউরোপকে। মূলত, এ কারণেই ইউরোপে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

করোনার দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কায় বিশেষ করে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ইতালি ও জার্মানি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

বিজ্ঞাপন

ইউরোপের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইউরোপীয় কার্যালয়ের মহাপরিচালক হানস কুলগি হ্যানস ক্লুজ কোভিড-১৯-কে ‘দীর্ঘ টর্নেডো’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

হ্যানস ক্লুজ সতর্ক করে বলেন, তরুণদের মধ্যে করোনার সংক্রমণ বাড়ার প্রবণতা বয়স্ক ব্যক্তিদেরও ঝুঁকিতে ফেলছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশ তাদের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে নতুন করে স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউন জারি করেছে।

বিজ্ঞাপন

একই সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় করোনার ঢেউ আসার আশঙ্কায় থাকা ইউরোপীয় দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের মাস্ক পরার জন্য নতুন করে আহ্বান জানাচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ করোনার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

সম্প্রতি ইউরোপে লকডাউনসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। মূলত, এই শিথিলতার পরিপ্রেক্ষিতে এখন করোনার সংক্রমণ ফের বাড়ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় স্পেনে ১২ হাজার ১৮৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। ফ্রান্সে ৯ হাজার ৬৪১ জন। যুক্তরাজ্যে ৩ হাজার ৪৯৭ জন। ইতালিতে ১ হাজার ৫০১ জন। জার্মানিতে ৯৪৮ জন সংক্রমিত হয়েছেন।

মন্তব্য পড়ুন 0