বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ ৬৮ হাজার ৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১ কোটি ১১ লাখের বেশি মানুষের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন ১১১ জনসহ দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনার অতি সংক্রামক ধরন অমিক্রন শনাক্তের পর তা যুক্তরাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১০ হাজারের বেশি মানুষের শরীরে ধরনটির উপস্থিতি মিলেছে। স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজিওন বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেই আমি সতর্ক করেছিলাম। নতুন করে করোনার সুনামি আসছে। এটা এখন সত্যি হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এর মধ্যেই দেশটিতে করোনার নতুন ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে সংক্রমণ বাড়লেও তা মোকাবিলায় নতুন করে বিধিনিষেধ জারির পক্ষে নন যুক্তরাজ্যের ১০০ জনের বেশি আইনপ্রণেতা। গত মঙ্গলবার এক ভোটাভুটিতে তাঁরা বিধিনিষেধের বিপক্ষে অবস্থান নেন।

মহামারি শুরুর পর থেকে অমিক্রন যুক্তরাজ্যের জন্য ‘সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হুমকি’ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধান নির্বাহী জেনি হ্যারিস। তিনি বলেন, করোনার আগের ধরনগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে আগামী কয়েক দিনে সংক্রমণের হার হতবাক করে দেওয়ার মতো হতে পারে বলে প্রাপ্ত হিসাব–নিকাশগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশ্বজুড়ে করোনার টিকাদানে বিদ্যমান বৈষম্যে উদ্বেগ জানিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘কোনো মহামারি অসামঞ্জস্যপূর্ণ উপায়ে ঠেকানো যায় না। ভবিষ্যতে সবাইকে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। সবাই মিলে এমনভাবে এগোতে হবে, যেন চলতি বছরের শেষ নাগাদ বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসে।’

এদিকে করোনার বিপজ্জনক নতুন ধরন অমিক্রনকে বর্তমানে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন জি-৭–এর নেতারা। গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জি–৭ নেতারা বলেছেন, অমিক্রনের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার অর্থ, এখন দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করা আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন