বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিওনডিওস বলেন, ডেলটার জিনোমের মধ্যে অমিক্রনের মতো জেনেটিক বিষয় শনাক্ত হওয়ায় করোনার নতুন ধরনের নাম ‘ডেলটাক্রন’ রাখা হয়েছে।

ডেলটাক্রনে সংক্রমিত হয়েছেন, এমন ২৫ জন রোগী শনাক্ত করেছেন লিওনডিওস ও তাঁর দল। তাঁদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি, এমন রোগীদের তুলনায় যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ডেলটাক্রনে সংক্রমিত হওয়ার হার বেশি।

ডেলটাক্রনে সংক্রমিত ২৫ রোগীর নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সের তথ্য ৭ জানুয়ারি জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটাতে (জিআইএসএআইডি) পাঠিয়েছে লিওনডিওসের দল। জিআইএসএআইডি করোনার জিনোমের উন্মুক্ত বৈশ্বিক তথ্যভান্ডার।

অধ্যাপক লিওনডিওস বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতে দেখব যে এই ধরনটি আরও ভয়ংকর বা আরও সংক্রামক কি না। আমরা দেখব যে এটি ডেলটা ও অমিক্রনকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না।’

করোনার অতি সংক্রামক ডেলটা ধরন প্রথম শনাক্ত হয় ভারতে। এ ধরনটিকে শুরুতে করোনার ‘ভারতীয় ধরন’ বলা হচ্ছিল। পরে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ধরনটির নতুন নাম দেয় ‘ডেলটা’। ধরনটির বৈজ্ঞানিক নাম (বি.১.৬১৭)। গত বছরের মে মাসে করোনার ডেলটা ধরনকে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ডব্লিউএইচও। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য ডেলটা ধরনকে দায়ী করা হয়।

অন্যদিকে, করোনার অতি সংক্রামক অমিক্রন ধরন প্রথম শনাক্ত হয় আফ্রিকায়। নতুন এই ধরনটির বৈজ্ঞানিক নাম ‘বি.১.১.৫২৯’। এই ধরনটিকেও ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে ডব্লিউএইচও। সারা বিশ্বে অতি দ্রুত অমিক্রন ছড়িয়ে পড়ছে। করোনার আর কোনো ধরনকে এত দ্রুত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়নি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন