গতকাল রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের দক্ষিণ ও পূর্ব দিকের পরিস্থিতি ‘এখনো অনেক জটিল’। নিজ দেশের সশস্ত্র বাহিনীর কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের সেনাবাহিনীর সাফল্য সত্যিই তাৎপর্যপূর্ণ, ঐতিহাসিকভাবেই এর তাৎপর্য আছে। তবে দখলদারদের আমাদের ভূখণ্ড থেকে সরানোর জন্য তা যথেষ্ট নয়। তাদের পরাজিত করতে আমাদের আরও কিছু করতে হবে।’

ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, ইউক্রেনের জন্য ভারী অস্ত্র পাঠাতে এবং রাশিয়ার তেলের ওপর আন্তর্জাতিক অবরোধ আরোপ করতে মিত্রদেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জেলেনস্কি। উত্তর কোরিয়া, কিউবা, ইরান ও সিরিয়ার মতো রাশিয়াকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দানকারী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইউক্রেনের বন্দরনগরী মারিউপোলে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। ইউক্রেন বলছে, রাশিয়ার কাছে অবরুদ্ধ থাকা এ শহরকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে তারা। রুশ অভিযান শুরুর আগে রাশিয়ায় চার লাখ মানুষের বসবাস ছিল। ইতিমধ্যে শহরটির হাজারো বেসামরিক বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। আটকা পড়েছে হাজারো মানুষ।

এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওলেক্সান্দর মোতুজিয়ানিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মারিউপোলের পরিস্থিতি জটিল। এখন সেখানে লড়াই চলছে। শহরটিতে হামলা চালাতে ধারাবাহিকভাবে অতিরিক্ত সেনাদল মোতায়েন করে যাচ্ছে রাশিয়া।’ তাঁর দাবি, রুশ সেনারা পুরোপুরিভাবে শহরটির দখল নিতে পারেনি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন