বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ সেনাপ্রধান ‘একনায়ক’ প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে তথ্যের পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ করেন। সেনাপ্রধান বলেন, কোভিড-১৯ সংকট নিয়ে কৌশলগত জয়ের জন্যই টিকা নিয়ে এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

সেনাপ্রধান কার্টার বলেন, মিথ্যা তথ্যের এই প্রচারণার লক্ষ্য টিকাবিরোধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে সক্রিয় করা। এ ক্ষেত্রে তিনি টিকা নিয়ে গত জুলাইয়ে ইউক্রেন থেকে প্রচারিত একটি ভুয়া খবরের কথা উল্লেখ করেন। অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা এই তথ্য উন্মোচন করেন।

জুলাইয়ে রাশিয়াপন্থী স্বঘোষিত রাষ্ট্র লুহানস্কের একটি ওয়েবসাইটে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয়। যেখানে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর টিকার পরীক্ষা চালাচ্ছে। আর এ সময় টিকা গ্রহণকারী কয়েক স্বেচ্ছাসেবী মারা গেছেন।
আদতে এ ধরনের টিকার ট্রায়াল হয়নি। কিন্তু বিশ্বের নানা ভাষায় এই উড়ো খবর ছড়িয়ে পড়ে।

কার্টার বলেন, এ ঘটনা ডিজিটাল কর্তৃত্ববাদের একটি উদাহরণ।

গতকাল কার্টার যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর পাশে ছিলেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস।

কার্টার গতকাল চীনকেও ছাড় দেননি। তিনি বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি অনলাইনে নজরদারি বাড়াচ্ছে।

ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে প্রচারণা ও মিথ্যা তথ্য রোধ করতে ‘৭৭ ব্রিগেড’ নামে একটি ইউনিট করেছে।

কিছুদিন আগে যুক্তরাজ্য অভিযোগ করেছিল, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট হ্যাকাররা তাঁদের দেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন পরীক্ষাগারের তথ্য চুরির চেষ্টা করছে। এসব পরীক্ষাগারে করোনাভাইরাসের টিকা তৈরি হচ্ছিল।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন