বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বরিস জনসন বলেন, যুক্তরাজ্যে করোনা নতুন ধরনটি ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে হবে। কারণ, সীমান্তে জারি করা বিধিনিষেধের ফলে করোনার নতুন ধরনের আঘাত কিছুটা বিলম্বে আসতে পারে, তবে তা একেবারে থামিয়ে দেবে না।

তবে নতুন করে জারি করতে যাওয়া বিধিনিষেধগুলো ‘সাময়িক এবং সতর্কতামূলক’ বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিধিনিষেধগুলো তিন সপ্তাহের মধ্যে আবার পর্যালোচনা করা হবে। এ সময়ের মধ্যে টিকার ‘কার্যকারিতা’ নিয়ে আরও স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে।

গত বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম করোনার ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়। ডব্লিউএইচও বলছে, করোনার এ ধরনের অনেক বেশি মিউটেশন রয়েছে। এগুলোর মধ্যে বেশ কিছু উদ্বেগজনক। করোনার নতুন ধরনের খবর মেলার পর আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও নানা বিধিনিষেধের মতো পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন