বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন কোম্পানি ও এর কর্তারা তাঁদের কর্মীদের চাপের মধ্যে রাখেন। তাঁরা কর্মসময় শেষ হওয়ার পরও কর্মসংক্রান্ত বিষয়ে কর্মীদের কল বা মেসেজ দিয়ে থাকেন। তাঁরা কর্মীদের কর্মঘণ্টার বাইরে কাজ দেন, যা কর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। বিষয়টি কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকেও প্রভাবিত করে। নতুন আইনটি কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের উন্নতিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আইনটি সম্পর্কে পর্তুগালের শ্রম ও সামাজিক নিরাপত্তামন্ত্রী আনা মেন্ডেস গোডিনহো বলেন, করোনা মহামারির কারণে বাড়িতে থেকে কাজ করার বিষয়টি এখন একটি নতুন বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে দূরে থেকে কাজ (রিমোট ওয়ার্কিং) যতটা সম্ভব সহজ করা দরকার। এ ক্ষেত্রে নতুন আইনটি ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে।
আইনটি সেসব কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যাদের ১০ জনের বেশি কর্মচারী রয়েছে।

আইনে আরও বলা হয়েছে, কর্মী যদি ঘরে বসে কাজ করেন, আর সে জন্য তাঁকে অনেক বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট বিল পরিশোধ করতে হয়, সে ক্ষেত্রে এই ব্যয়ভার বহনে কোম্পানিকে সহায়তা করতে হবে। বাড়িতে বসে কাজ করার সময় কর্মীদের নজরদারি করতে পারবেন না নিয়োগকর্তা।

নতুন আইন অনুযায়ী, কোনো কর্মীর সন্তানের বয়স আট বছর না হওয়া পর্যন্ত তিনি চাইলে বাড়িতে বসে কাজ করার অধিকার দাবি করতে পারবেন। আর কর্তৃপক্ষকে বাধ্যতামূলকভাবে এ দাবি মেনে নিতে হবে। দাবি না মানলে কোম্পানিকে জরিমানা গুনতে হবে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন