বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে বার্তা সংস্থা এনটিবিকে এনোকসেন বলেন, ‘আমি বেশ কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর ফলে অনেকের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ জন্য আমি ক্ষমা চাইছি।’

দৈনিক ভিজির তথ্য অনুযায়ী এনোকসেন ২০০৫ সালে ওই কিশোরীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। তখন কিশোরীটি হাইস্কুলের ১৮ বছরের ছাত্রী। আর সে সময় এনোকসেনের বয়স ৫০ বছর।

ওই বছর কিশোরীটি তাঁর স্কুল থেকে রাজধানী অসলোতে এক সফরে যান। সফরের অংশ ছিল পার্লামেন্ট ভবন ঘুরে দেখা। তখনই সেন্ট্রি পার্টির এই নেতার সঙ্গে দেখা হয় ছাত্রীটির।

ভিজের খবরে আরও বলা হয়, ওই সফর শেষে দুজনে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। এমনকি শারীরিক সম্পর্কও হয়।

default-image

সেই কিশোরী এখন ত্রিশোর্ধ্ব নারী। তিনি পত্রিকাটির কাছে তাঁদের সম্পর্কের বিস্তারিত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজনীতি সম্পর্কে তাঁর আগ্রহ থাকায় তিনি এনোকসেনের দ্বারা প্রভাবিত হন। আর এটিকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে ‘তিনি (এনোকসেন) যা চেয়েছেন, তা পেতে তাঁর ক্ষমতা ও পদকে ব্যবহার করেছেন’।

এই নারীর তথ্যমতে, ২০০৬ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে তাঁরা এনোকসেনের দপ্তরের অন্তত ১২ বার দেখা করেছেন। এর মধ্যে কয়েকবার তাঁদের মধ্যে যৌন সম্পর্কও হয়। তখন এনোকসেন জ্বালানিমন্ত্রী ছিলেন।

ভিজিকে এনোকসেন এই নারীর সঙ্গে তাঁর দপ্তরে দেখা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাঁদের মধ্যে কিছু অন্তরঙ্গ কথাবার্তা হয়েছে, তবে শারীরিক কিছু হয়নি।

এনোকসেন দাবি করেন, ২০০৭ সালে তিনি সরকার ছেড়ে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কিছু হয়নি। এবং জোর দিয়ে বলেন, ‘সম্পর্কটি এমন ছিল না যে ক্ষমতার দাপটে আমি তার ওপর চাপিয়ে দিয়েছি।’

দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্টোর সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত বছরের সাধারণ নির্বাচনের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে এনোকসেন আমাকে এ সম্পর্কের বিষয়ে কিছু জানায়নি। এটি জানা থাকলে সিদ্ধান্ত হয়তো অন্য রকম হতো।’ খুব শিগগির নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে তিনি আশা করছেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন