default-image

পূর্ব ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বিক্ষিপ্তভাবে গোলাবর্ষণ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। তবে গত শনিবার রাত থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি মোটের ওপর ব্যাপকভাবে মানা হচ্ছে।
সরকার ও রুশপন্থী বিদ্রোহী উভয় পক্ষ বলেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও কিছু গোলাগুলি অব্যাহত থাকে। মূলত অবরুদ্ধ দেবালৎসেভ শহরের আশপাশে তা চলে। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার আগের কয়েক ঘণ্টায় এ গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্রের চারপাশে প্রচণ্ড লড়াই হয়। তবে এর পর থেকে পরিস্থিতি অনেকটা শান্ত বলে দুই পক্ষই স্বীকার করেছে।
বিশ্লেষকেরা এর আগেরবারের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিণতি স্মরণ করে বলেছেন, সেবারও যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রথম দিকে মানা হয়, তবে শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়। নতুন এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে কি না, তা বুঝতে আগামী ৪৮ ঘণ্টা গুরুত্বপূর্ণ।
গত বৃহস্পতিবার বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ ও জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা আলোচনার পর যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছান।
ইউক্রেনের বিদ্রোহী ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সর্বশেষ লড়াইয়ে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেসামরিক মানুষও রয়েছে।
ইউক্রেনের বিদ্রোহীরা রাশিয়া থেকে অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ ও অন্যান্য সহায়তা পাচ্ছে বলে কিয়েভের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। কিন্তু মস্কো বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ৫ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করে জাতিসংঘ।

বিজ্ঞাপন
ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন