বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চূড়ান্ত চুক্তিতে বিশ্বেনেতাদের কার্বন নির্গমন রোধে শক্তিশালী পরিকল্পনা নিয়ে আগামী বছর আবার ফিরে আসতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালের মধ্যে দরিদ্র দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য ধনী দেশগুলোকে অন্তত দ্বিগুণ তহবিল দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য বিশ্বের অন্য দেশগুলোকে বন উজাড় বন্ধ করা, মিথেন এবং কয়লার ব্যবহার সীমিত করার প্রতিশ্রুতি দিতে উত্সাহিত করেছে। প্রত্যেকটি দেশ তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করলে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

চূড়ান্ত চুক্তি হিসেবে এগুলো তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে দীর্ঘমেয়াদে কার্বন নির্গমন রোধ ও তাপমাত্রায় লাগাম টেনে ধরা যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এতে কি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রির যে লক্ষ্য তাতে আটকে রাখা যাবে? এবারে সম্মেলনে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে গ্লাসগো আশা জাগিয়ে রাখছে। কিন্তু কপ-২৬ এর বাস্তব প্রভাব আগামী কয়েক বছরে হয়তো দেখা যাবে না।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন