পরে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠকও করেন লাভরভ। ওই বৈঠকের আগে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁর একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে।

ভিডিওতে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে বিশ্ব একটি গুরুতর পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আপনারাসহ (চীন) আমরা মিলে আমাদের প্রতি সহানুভূতিশীল দেশগুলো নিয়ে একটি বহুমেরুকেন্দ্রিক, ন্যায়পরায়ণ ও গণতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাব।’

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পাঁচ সপ্তাহ গড়ালেও এখনো এর নিন্দা জানায়নি বেইজিং। পাশাপাশি রাশিয়াকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে চীন সহযোগিতা করতে চাচ্ছে, এমন অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। এমন পথে না হাঁটতে সম্প্রতি এক ভিডিও কনফারেন্সে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংকে সতর্ক করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

আজ রাশিয়া ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দুই দেশের জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধাবনত অবস্থার চিত্র চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

তবে পরে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন সাংবাদিকদের বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে মস্কো ও বেইজিং কাজ করে যাবে।

রাশিয়া ও চীনের সহযোগিতার কোনো সীমারেখা নেই বলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের প্রচেষ্টারও কোনো সীমা নেই, নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমাদের প্রচেষ্টার কোনো সীমা নেই, আধিপত্যের বিরোধিতার ক্ষেত্রেও কোনো সীমা নেই।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন