বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ল্যানসেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৮ সালে যুক্তরাজ্যে কিশোরীদের এইচপিভি টিকা দেওয়া শুরু হয়। অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে টিকা পাচ্ছে ১১ থেকে ১৩ বছরের কিশোরীরা। ২০১৯ সাল থেকে কিশোরদেরও টিকা দেওয়া হচ্ছে।

শুরুর দিকে যাঁদের টিকা দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের বয়স এখন ২০–এর কোঠায়। গবেষণায় দেখা গেছে, টিকা নেওয়ার ফলে ক্যানসার–পূর্ববর্তী ভাইরাসের বিস্তার কমেছে এবং জরায়ুর ক্যানসার ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।

ল্যানসেট বলছে, এইচপিভি টিকা দেওয়ার ফলে ৪৫০ জনের ক্যানসার এবং ১৭ হাজার ২০০ জনের ক্যানসার–পূর্ববর্তী জটিলতা রোধ করা সম্ভব হয়েছে।

এই সফলতাকে ‘বিশাল’ বলে আখ্যায়িত করেছেন লন্ডনের কিংস কলেজের গবেষক অধ্যাপক পিটার সাসিয়েনি। তিনি বলেন, টিকাদানের ফলাফল হিমশৈলীর উপরিভাগের মতো। কারণ, যাঁদের টিকা দেওয়া হয়েছে, তাঁরা ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার মতো বয়সে এখনো পৌঁছাননি। সময়ের সঙ্গে সফলতার হার আরও বাড়বে।

এদিকে এ মুহূর্তে যুক্তরাজ্যে নারীদের প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর পরপর জরায়ু ক্যানসার শনাক্তে পরীক্ষার আহ্বান করা হয়। তবে টিকার এ সফলতার পর পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন পিটার সাসিয়েনি। তিনি বলেন, যাঁরা টিকা নিয়েছেন, তাঁদের জন্য সারা জীবনে দুই থেকে তিনবার এবং টিকা না নেওয়াদের ক্ষেত্রে আগের নিয়মেই ক্যানসার শনাক্তে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া হবে।

বিবিসি বলছে, ৯৯ শতাংশ জরায়ু ক্যানসার হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। এ কারণে এইচপিভি টিকাদানের মাধ্যমে জরায়ু ক্যানসার নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ডব্লিউএইচওর আওতায় ১০০টির বেশি দেশে এইচপিভি টিকা দেওয়া হচ্ছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন