বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কপ-২৬ জলবায়ু সম্মেলন স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মঙ্গলবার গ্লাসগো ত্যাগের প্রাক্কালে বাইডেন সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে চীন নিজেদের নতুন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জলবায়ু সম্মেলনে তাদের দেখা মেলেনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, জলবায়ুসংকট একটি বিশাল সমস্যা। আর চীন এটিকে এড়িয়ে গেছে। এমনটি করার পরও কীভাবে তারা নিজেদের নেতৃত্ব দাবি করে? সম্মেলনে অংশ না নেওয়া চীনের জন্য একটি ‘বড় ভুল’। সারা বিশ্ব চীনের দিকে তাকিয়ে ছিল। প্রশ্ন উঠেছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তারা কতটুকু ভূমিকা রাখছে।

বিশ্বে সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ চীন। চলতি কপ-২৬ সম্মেলনে অংশ নেননি দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।

এদিকে নানা ইস্যু নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছেছে। তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা সীমানায় চীনের যুদ্ধ বিমানের দফায় দফায় মহড়া এবং মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মার্কিন প্রশাসন। সবকিছুর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে উন্নয়নের চেষ্টা করছে দেশ দুটি। এর জেরে গত ৯ সেপ্টেম্বর ফোনালাপ করেন বাইডেন ও সি চিন পিং। চলতি বছরের শেষের দিকে আরও একটি বৈঠকের কথা রয়েছে বলে গত মাসে জানিয়েছিলেন জ্যেষ্ঠ এক মার্কিন কর্মকর্তা।

জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। রাশিয়ার এমন পদক্ষেপেরও কড়া সমালোচনা করেছেন বাইডেন। বিশ্বের সর্বোচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়ার অবস্থান চতুর্থ। সাংবাদিকদের বাইডেন বলেন, পুতিন মারাত্মক জলবায়ু সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। এরপরও তিনি কোনো পদক্ষেপ নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

তবে জলবায়ুসংকট মোকাবিলায় রাশিয়া যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযোগ আগে থেকেই নাকচ করে আসছে ক্রেমলিন। গত সোমবার দেশটির মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়া সংকট মোকাবিলায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জলবায়ুর ওপর চাপ কমাতে কাজ করে যাবে দেশটি। তবে এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যার জন্য সব দেশের এগিয়ে আসা দরকার।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন