বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবিসির পূর্বাভাস বলছে, ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে রয়েছে এসপিডি। এর পরই ২৪ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়েছে ম্যার্কেলের দল সিডিইউ। পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টি পেয়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট। চতুর্থ অবস্থানে থাকা লিবারেল ফ্রি ডেমোক্র্যাট পার্টি (এফডিপি) পেয়েছে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট। সবশেষে ১০ দশমিক ৫ ও ৪ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে এএফডি ও বাম দলগুলো।

তবে পূর্বাভাস যা–ই বলুক না কেন, এগিয়ে থাকা দুই দলই নিজেদের জয়ের আশা জিইয়ে রেখেছে। দুই দলই ভাবছে, তাদের নেতৃত্বেই জোট বেঁধে পরবর্তী সরকার গঠন করা হবে। জোট বেঁধে সরকার গঠন জার্মানিতে একটি ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, সরকার গঠনের মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট কোনো দলই পায় না।

সরকার গঠনে জোট বাঁধার প্রক্রিয়াটি বেশ সময়সাপেক্ষ। সব পক্ষের আলাপ-আলোচনায় এটি কয়েক মাস পর্যন্ত গড়াতে পারে। জোটে সিডিইউ ও এসপিডি ছাড়াও জোট সরকারের অংশ হতে পারে পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টি ও এফডিপি।

জার্মানির নির্বাচনে এসপিডির জয় চূড়ান্ত হলে নতুন চ্যান্সেলর হতে যাচ্ছেন দলটির নেতা ওলাফ শোলৎজ। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এসপিডি থেকে চতুর্থ কোনো নেতা দেশটির চ্যান্সেলর হবেন। ভোট গ্রহণ শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা সব জরিপেই এগিয়ে আছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘খবরটি আনন্দের। জার্মানির জন্য আমরা নতুন সরকার পেতে যাচ্ছি।’

এসপিডির প্রার্থী আরমিন ল্যাশেট বলেন, ‘সব সময় এগিয়ে থাকা দলই চ্যান্সেলর হবে—এমন কোনো কথা নেই। আমি এমন একটি সরকার চাই, যেখানে সব দলের অংশগ্রহণ থাকবে।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন