default-image

আগামী ৩১ জুলাই নাগাদ যুক্তরাজ্যের প্রাপ্তবয়স্ক সব ব্যক্তিকে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হবে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন গতকাল শনিবার এ কথা বলেছেন। বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।

বরিস জনসন বলছেন, তিনি এখন টিকাদান কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে চান। টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে চান।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী জানান, টিকাদানের ক্ষেত্রে জুলাই নাগাদ লক্ষ্যমাত্রা হবে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে দ্রুত সুরক্ষিত করা। দেশজুড়ে লকডাউনের বিধিনিষেধ শিথিল করার কাজে সহায়তা করা।

চলমান লকডাউন থেকে সতর্কতার সঙ্গে অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ঘোষণার আগে বরিস জনসন জুলাই নাগাদ টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানালেন।

বিজ্ঞাপন

তৃতীয় দফার এই লকডাউন কীভাবে শিথিল করা যায়, তা নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন তাঁর জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সঙ্গে চূড়ান্ত বৈঠক করবেন। এই বৈঠকের পর আগামীকাল সোমবার তিনি পূর্ণাঙ্গ ‘রোডম্যাপ’ ঘোষণা করবেন।

ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) ইংল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী স্যার সিমন স্টিভেনস জানিয়েছেন, হাসপাতালে করোনার রোগী ভর্তি কমেছে। রোগী ভর্তি কমার ক্ষেত্রে টিকাদান ভূমিকা রাখছে বলে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

করোনায় মৃত্যু কমাতে ঝুঁকিতে থাকা সবাইকে টিকা দেওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা দেড় কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল যুক্তরাজ্য সরকারের। আর সেপ্টেম্বর নাগাদ সব প্রাপ্তবয়স্ককে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার লক্ষ্য ছিল।

এখন নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল নাগাদ ৫০ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আর জুলাই নাগাদ প্রাপ্তবয়স্ক সব।
বরিস জনসন জানিয়েছেন, লকডাউন প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। ধীরে ধীরে লকডাউন তুলে নেওয়া হবে।

যুক্তরাজ্যে ফাইজার-বায়োএনটেক ও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকার দুটি ডোজের মধ্যে ১২ সপ্তাহের ব্যবধান হতে পারে বলে পরামর্শ যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তাদের।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন