আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নেহামা নিজেও টুইটার পোস্টে এ সফরের কথা জানিয়েছেন। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘আমরা সামরিকভাবে নিরপেক্ষ, তবে ইউক্রেনে রুশ অভিযান নিয়ে আমাদের স্পষ্ট অবস্থান আছে। তাঁকে থামতে হবে। সেখানে (ইউক্রেনে) মানবিক করিডর স্থাপন, অস্ত্রবিরতি চুক্তি ও যুদ্ধাপরাধের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’

নেহামা বলেন, মস্কো সফরের ব্যাপারে অন্য ইউরোপীয় সহযোগীদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন—ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মাইকেল, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ, তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বার্তা সংস্থা আরইএকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও নিশ্চিত করেছেন, আজ নেহামার সঙ্গে বৈঠক করবেন পুতিন।

এর আগে গত শনিবার ইউক্রেন সফরে যান নেহামা। সেখানে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এর পরপরই তাঁর মস্কো সফরের ঘোষণা এল।

অস্ট্রিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ। তবে এটি ন্যাটোর সদস্য দেশ নয়। শুরু থেকেই ইউক্রেনে রুশ হামলার সমালোচনা করে আসছে ভিয়েনা। সম্প্রতি চার রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে দেশটি।