বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্য সরকার শিশু-কিশোরদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও এ বিষয়ে কিছুটা আপত্তি ছিল দেশটির টিকাদানবিষয়ক যৌথ কমিটি জেসিভিআইয়ের। প্রাথমিকভাবে তারা ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের টিকা দেওয়ার সুপারিশ করতে চায়নি। এ ক্ষেত্রে তাঁরা টিকা নেওয়ার পর শরীরে মাইয়োকার্ডিটিসের (হৃদ্‌রোগ) প্রভাবের বিষয়টি উল্লেখ করেন। ফাইজারের মতো করোনার এমআরএনএ-ভিত্তিক টিকা নিলে এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা নেওয়ার পর হৃদ্‌যন্ত্রের এ জটিলতা হওয়ার ঝুঁকি সামান্য। এ জটিলতার বিষয়টি মাথায় রেখেছে হংকংও। দেশটিতে শিশুদের করোনার টিকার একটি ডোজ প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রধান গবেষক ম্যাথিউ স্ন্যাপ বলেন, গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ফাইজারের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে। এর আট সপ্তাহ পর তাদের ফাইজারে টিকার পুরো একটি ডোজ বা অর্ধেক ডোজ দেওয়া হবে। এ ছাড়া তাদের নোভাভ্যাক্সের পুরো একটি ডোজ বা মডার্নার টিকার অর্ধেক ডোজ দেওয়া হতে পারে।

গবেষণার জন্য ৩৬০ স্বেচ্ছাসেবীকে নেওয়া হচ্ছে। যদিও এই পরিমাণ মাইয়োকার্ডিটিসের ঝুঁকি পরিমাপের জন্য যথেষ্ট নয়। ম্যাথিউ স্ন্যাপ জানান, করোনার টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার পর কম বয়সী ১৫ হাজার মানুষের মধ্যে ১ জনের এই জটিলতা দেখা দিয়েছে। এরপরও এ গবেষণা শিশুদের টিকাদানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন