বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডে ভ্রমণ করতে হলে ভ্রমণেচ্ছুক ব্যক্তিকে সেখানে ঢোকার দুই দিন আগে পরীক্ষা করতে হতো। ১২ বছর বয়সের বেশি সবার জন্য বিধি কার্যকর ছিল। এ ছাড়া সেখানে পৌঁছে আবার পিসিআর টেস্ট করে নিতে হতো। আর এ জন্য অর্থ বহন করতে হতো ওই ব্যক্তিকেই। এই পিসিআর পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকতে হতো। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুসারে, এখন র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাটারাল ফ্লো টেস্ট (এলএফটি) করে নিতে হবে ইংল্যান্ডে পৌঁছার পর। আর রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত যে কোয়ারেন্টিনবিধি ছিল, তা–ও শিথিল করা হয়েছে। ফলে ওই ব্যক্তিকে আর কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। তবে ইংল্যান্ডে পৌঁছার পর যদি কেউ করোনা পজিটিভ হন, তবে তাঁকে পিসিআর টেস্ট করতে হবে। ওই ব্যক্তি করোনার কোন ধরনে আক্রান্ত, এটা বুঝতে এই পরীক্ষা করা হয়।

তবে যাঁরা টিকা নেননি, তাঁদের ক্ষেত্রে বিধি একই থাকছে। যাওয়ার আগে তাঁদের করোনা পরীক্ষা করতে হবে। যাওয়ার আট দিন পর আবার পিসিআর পরীক্ষা করতে হবে এবং নিজ উদ্যোগে আইসোলেশনে থাকতে হবে।

গতকাল বুধবার এসব নিয়ে কথা বলেছেন বরিস জনসন। তিনি বলেন, নতুন যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেগুলো মূলত ইংল্যান্ডে কার্যকর হবে। তিনি আশা করছেন, যুক্তরাজ্যের অন্য এলাকাগুলো, যেমন উত্তর আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসও এ পথ অনুসরণ করবে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন