ওই সময় রাশিয়া জানিয়েছিল, ক্রিমিয়ার প্রধান বন্দর সেভাস্তোপোলে নিয়ে যাওয়া হয় জাহাজটির নাবিকদের। ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নিয়েছিল রাশিয়া।

এই প্রথম ডুবে যাওয়া যুদ্ধজাহাজ থেকে নাবিকদের বেঁচে ফেরা নিয়ে কোনো প্রমাণ হাজির করা হলো। ভিডিওতে দেখা যায়, কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়া প্রায় ১০০ নাবিকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন অ্যাডমিরাল ইয়েভমেনভ ও আরও দুই কর্মকর্তা। তবে এই সাক্ষাৎ কখন হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।

ভিডিওর শেষ দিকে অ্যাডমিরাল ইয়েভমেনভকে বলতে শোনা যায়, কর্মকর্তা ও নাবিকেরা বর্তমানে তাঁদের সেভাস্তোপোল ঘাঁটিতে অবস্থান করছেন। তাঁরা নৌবাহিনীতে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

জাহাজে আগুন ধরে যাওয়া ও ডুবে যাওয়ার ঘটনায় কোনো হতাহতের কথা জানায়নি রাশিয়া। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, এ ঘটনায় হতাহত হয়েছে বলে মনে করে ওয়াশিংটন।
ইউক্রেন দাবি করেছে, যুদ্ধজাহাজটির ক্যাপ্টেন আন্তোন কুপরিন সেখানে নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবি যাচাই করতে পারেনি বিবিসি।

১২ হাজার ৪৯০ টনের মস্কভা হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডুবে যাওয়া সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ। সিরিয়ার যুদ্ধেও মিসাইল ক্রুজারটি মোতায়েন করেছিল রাশিয়া। ৫১০ নাবিকের মস্কভাকে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর শক্তির প্রতীক বিবেচনা করা হয়। ইউক্রেনে হামলায় রুশ নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছিল এ যুদ্ধজাহাজ।

মস্কভা ১৯৮৩ সালে কমিশন লাভ করে। এ যুদ্ধজাহাজ ৭০০ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে সক্ষম ১৬টি ভুলকান ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত। এ ছাড়া এতে রয়েছে সাবমেরিন-বিধ্বংসী ও মাইন-টর্পেডো অস্ত্র। এ নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে দ্বিতীয় কোনো বড় যুদ্ধজাহাজ হারাল রাশিয়া।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন