বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অ্যাটম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী মার্ক মুলেনের ভাষ্য, করোনা মহামারি তাঁকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করেছে। তাঁর বিশ্বাস, সপ্তাহে তিন দিনের ছুটি কর্মীদের স্বাস্থ্য ও অফিসের কাজের গুণগত মানে উন্নয়ন ঘটাবে। ২০১৪ সাল থেকে ব্যাংকটির নেতৃত্বে আছেন মুলেন। তিনি বলেন, ‘অফিসে এসে কাজ করতে হবে, সারা দিন অফিসের টেবিলে বসে থাকতে হবে—এসব হলো আমাদের প্রচলিত কাজের ধরন ও ধারণা। কিন্তু কোভিড-১৯ আমাদের দেখিয়েছে আসলে এর প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি, সোম থেকে শুক্রবার কাজ করার বিষয়টি একটি পুরোনো পদ্ধতি।’

যুক্তরাজ্যের প্রথম দিকের ডিজিটাল ব্যাংকগুলোর মধ্যে অ্যাটম ব্যাংক একটি। এক পর্যালোচনায় ব্যাংকটি দেখেছে, তাদের নতুন এই উদ্যোগ গ্রাহকসেবা ও উৎপাদনশীলতায় কোনো অন্তরায় সৃষ্টি করবে না।

উনিশ শতকে অধিকাংশ ব্রিটিশ সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করতেন। কিন্তু ত্রিশের দশকে এসে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পপতি হেনরি ফোর্ড ও যুক্তরাজ্যে ওষুধ বিক্রয় প্রতিষ্ঠান (ফার্মেসি চেইন) বুটস সপ্তাহে দুই দিন কর্মীদের ছুটির বিষয়টি জনপ্রিয় করতে শুরু করেন। বর্তমানে বিভিন্নজন দাবি করছেন, সপ্তাহে চার দিন কাজ করালে লোকদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটে।

মাইক্রোসফট, জাপান ২০১৯ সালে তাদের এক পরীক্ষামূলক সমীক্ষায় দেখেছে, যেখানে তাদের কর্মীরা সপ্তাহে তিন দিন ছুটিতে ছিলেন, সেখানে প্রায় ৪০ শতাংশ পণ্য বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও অনেক নিয়োগকর্তাই মনে করছেন, চার কর্মদিবসের উদ্যোগ নেওয়া সঠিক হবে না। যেমন ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েলকাম ট্রাস্ট তাদের প্রধান দপ্তরের ৮০০ কর্মীর জন্য চার কর্মদিবস চালুর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। তারা মনে করছে, এভাবে প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা জটিল হয়ে পড়বে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন