বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তুরস্কের সরকারপন্থী সংবাদপত্র দৈনিক সাবাহ জানায়, কূটনীতিকদের বিচার থেকে দায়মুক্তির প্রথাগত নিয়ম আছে। কিন্তু এ নিয়ম সেই দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যেখানে কোনো কূটনীতিকের সরকারি স্বীকৃতি (অ্যাক্রেডিটেশন) নেই।

দৈনিক সাবাহ জানায়, এ যুক্তি কাজে লাগিয়ে মার্কিন কূটনীতিককে গ্রেপ্তার করেছে তুরস্ক। কেননা, ওই মার্কিন কূটনীতিকের শুধু লেবাননে কাজ করার অ্যাক্রেডিটেশন আছে।

কূটনীতিক গ্রেপ্তারের ঘটনাটি ওয়াশিংটনের সঙ্গে আঙ্কারের সম্পর্ককে আরও তিক্ত করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

কূটনীতিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় আঙ্কারার মার্কিন দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে তুর্কি গণমাধ্যম ওই মার্কিন কূটনীতিকের নামের শুধু আদ্যক্ষর প্রকাশ করেছে। সে অনুযায়ী, তাঁর নাম হলো—‘ডি জে কে’।

গত ১১ নভেম্বর ওই মার্কিন কূটনীতিককে প্রাথমিকভাবে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে আটক করা হয়।

তুর্কি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই মার্কিনের বিরুদ্ধে একজন সিরিয়ানকে একটি জাল পাসপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই সিরিয়ান ইস্তাম্বুল থেকে জার্মানিতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

তুর্কি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে পাসপোর্ট হস্তান্তরের ঘটনাটি ঘটে। পাসপোর্ট দেওয়ার বিনিময়ে ওই মার্কিন কূটনীতিক ১০ হাজার ডলার পেয়েছেন। এই দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে।

ঘটনায় জড়িত সিরিয়ান নাগরিককে তাঁর নামের ‘আর এস’ আদ্যক্ষর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সিরিয়ান নাগরিকের বিরুদ্ধে সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁকে অবশ্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জাল পাসপোর্ট ইস্যুর অভিযোগে মার্কিন কূটনীতিককে গ্রেপ্তারের তথ্য প্রকাশ করতে তুরস্কের পুলিশ কেন এক মাসের বেশি সময় নিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন