বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইডি দাবি করেছে, নবাব মালিক দাউদ ইব্রাহিমের বোন হাসিনা পারকার এবং দুই সহযোগীর সহায়তায় ২০০৫ সালে মাত্র ৫৫ লাখ রুপিতে মুম্বাইয়ের কুরলায় ৩০০ কোটি মূল্যের সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছিলেন। নবাব মালিকের সম্পত্তি কেনার প্রমাণ চলমান তদন্তে উঠে এসেছে। নবাব মালিক দাউদ ইব্রাহিমের সহযোগীদের সঙ্গে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেন করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় নবাব একদম সহযোগিতা করেননি বলে ইডির অভিযোগ।

অপরাধজগতের সঙ্গে জড়িত অর্থ পাচারের তদন্ত করছে ইডি। এ নিয়ে মামলা দায়েরের পাশাপাশি একাধিক অভিযান চালিয়েছে ইডি। দাউদ ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাসকরকে গত সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইডির কার্যালয় থেকে বের হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে হাতের মুষ্টি উঁচিয়ে নবাব বলেছেন, ‘আমরা লড়াই করব এবং জিতব। সবার সামনে সত্যিটা তুলে ধরব।’

স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সকালে পাঁচবারের এমএলএ ৬২ বছর বয়সী নবাব মালিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল ছয়টার সময় ইডির কর্মকর্তারা তাঁর বাড়িতে যান। সেখানে তাঁকে এক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তাঁকে ইডির অফিসে নিয়ে আরও কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

নবাব মালিকের গ্রেপ্তারের পর রাজ্যর বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভ করেছেন নবাব মালিকের দল এনসিপি-সমর্থকেরা। ২০১৯ মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ৫৪টি আসনে জয় পায় ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)। এরপর শিবসেনার সঙ্গে জোট করে রাজ্য ক্ষমতায় দলটি। এনসিপির অন্যতম মুখপাত্র এই নবাব মালিক। সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সবর তিনি।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন