বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জোট সরকারের কনিষ্ঠ সহযোগী গ্রিন পার্টি সেবাস্তিয়ান কুর্জের চ্যান্সেলর পদে থাকা নিয়ে আপত্তি তোলার পর তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হলো। এরই মধ্যে গ্রিন পার্টি বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে, আগামী সপ্তাহেই বিরোধী দল চ্যান্সেলরের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের হুমকি দিয়ে আসছিল।

গ্রিন পার্টির নেতা ও ভাইস চ্যান্সেলর ওয়ের্নার কগলার সেবাস্তিয়ান কুর্জের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি শ্যানেলবার্গের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, তাদের সঙ্গে ‘খুবই গঠনমূলক’ সম্পর্ক রয়েছে।

পদত্যাগ করার পর কর্জ বলেন, বিশৃঙ্খলা এড়াতে এই মুহূর্তে স্থিতিশীলতা অনেক বেশি দরকার। তিনি আরও বলেন, চ্যান্সেলর পদ থেকে পদত্যাগ করলেও তিনি দলীয় প্রধানের পদে থাকছেন, এ ছাড়া নিয়মিত পার্লামেন্টের অধিবেশনেও বসবেন।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম কথা হলো আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভুল প্রমাণ করার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাব।’ বিবিসির বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, চ্যান্সেলর না থাকলেও সেবাস্তিয়ান কুর্জ অস্ট্রিয়ান রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

তা ছাড়া দলীয় প্রধান হিসেবে তিনি মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। অপর দিকে বিরোধী দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট দলের প্রধান বলেছেন, তিনি ছায়া চ্যান্সেলর হিসেবে থাকবেন।

২০১৭ সালে কনজারভেটিভ পিপলস পার্টির প্রধান নির্বাচিত হন সেবাস্তিয়ান কুর্জ। ওই বছরই ৩১ বছর বয়সে বিশ্বের অন্যতম কনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে তাঁর দল।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন