default-image

দেড় মাসের মধ্যে গত সপ্তাহে বিশ্বে করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হয়েছে। গতকাল সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এমন তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

এক ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচওর কোভিড-১৯-বিষয়ক বিভাগের প্রধান মারিয়া ভান কারখোভে সতর্কতা জারি করে বলেন, ‘সতর্ক না হলে এই ভাইরাস আবার শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। আমরা তা হতে দিতে পারি না।’

ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস জানান, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা হতাশাজনক। তবে বিস্ময়কর নয়। রোগ প্রতিরোধে বিধিনিষেধ শিথিল না করতে বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।  

অন্যান্য সুরক্ষাব্যবস্থা বাদ দিয়ে শুধু টিকাদান কর্মসূচির ওপর নির্ভর না করতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক বলেন, ‘যদি দেশগুলো শুধু টিকাদান কর্মসূচির ওপর নির্ভর করে, তাহলে তারা ভুল করছে।’ তেদরোস জানান, ঘানা ও আইভরি কোস্টে গতকাল থেকে প্রথম কোভ্যাক্সের আওতাধীন টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

করোনা প্রতিরোধে দরিদ্র এবং মধ্য আয়ের দেশগুলোকে বিনা মূল্যে টিকা সরবরাহ করতে ডব্লিউএইচওর নেতৃত্বে বৈশ্বিক উদ্যোগ হলো কোভ্যাক্স।

টিকার প্রথম ডোজ জমিয়ে রাখার জন্য ধনী দেশগুলোর সমালোচনা করে তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সব দুর্দশাগ্রস্ত মানুষকে সুরক্ষা দিতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা দুঃখজনক যে কিছু দেশ টিকাদানে স্বাস্থ্যকর্মী ও বয়স্কদের চেয়েও স্বাস্থ্যবান তরুণদের প্রাধান্য দিচ্ছে। অথচ তাঁরা কম ঝুঁকিতে আছেন।’

ডব্লিউএইচওর জরুরি বিশেষজ্ঞ দলের শীর্ষ কর্মকর্তা মাইক রাইন বলেন, ১০ সপ্তাহ আগে, যখন টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়নি, সে তুলনায় বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতি এখন ভালো। তবে ভাইরাস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আছে, এ কথা বলার মতো সময় এখনো আসেনি।

ডব্লিউএইচওর প্রধান বলেন, ‘বিষয়টি হচ্ছে, আমরা ভাইরাসের নিয়ন্ত্রণের থাকব, নাকি ভাইরাস আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই মুহূর্তে ভাইরাস ভালোভাবে আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন