পরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক রয়টার্সকে বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দিতে সম্ভাব্য সাময়িক একটি অস্ত্রবিরতির ব্যাপারে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ। তিনি আরও বলেন, সব জায়গায় নয়, শুধু যেসব জায়গায় মানবিক করিডর আছে, সেগুলোতেই এ অস্ত্রবিরতি কার্যকর হবে। সাধারণ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময়টুকুতে অস্ত্রবিরতি কার্যকর রাখা সম্ভব হবে।

তুমুল সংঘাতের এলাকাগুলোতে ওষুধ ও খাদ্য সরবরাহ নিয়েও ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর এ প্রথম দুই পক্ষ কোনো ইস্যুতে সম্মত হতে পেরেছে।

তবে পোদোলিয়াক মনে করেন, দ্বিতীয় দফার আলোচনায় কিয়েভের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তিনি বলেন, ‘খুব আক্ষেপ নিয়েই বলতে হচ্ছে, আমরা যেমনটা প্রত্যাশা করছিলাম, তেমন ফল পাইনি।’

এ ব্যাপারে বিস্তারিত উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু বলতে পারি যে আমরা মানবিক বিষয়গুলো নিয়ে যথেষ্ট বিস্তারিত আলোচনা করেছি। কারণ, অনেকগুলো শহরই ঘিরে ফেলা হয়েছে। সেখানে ওষুধ ও খাদ্য সরবরাহ এবং সেখানকার মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া নিয়ে মানবেতর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন