বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুতিনকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়ে টেলিভিশনে সামরিক বাহিনীকে অবহিত করতে দেখা যায়। তারা জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম রাশিয়ার প্লেসেৎস্ক থেকে এই প্রথম ‘সারমাত’ ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার দূরের কামচাৎকা উপদ্বীপের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

রয়টার্স বলছে, ‘সারমাত’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা পশ্চিমাদের বিস্মিত করেনি। কয়েক বছর ধরে ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করা হচ্ছিল। তবে এমন সময় পরীক্ষাটি চালানো হয়েছে, যখন তীব্র ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে। রাশিয়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। তবে এখন পর্যন্ত দেশটি গুরুত্বপূর্ণ কোনো শহর পুরোপুরি দখলে নিতে পারেনি।

রাশিয়ার রসকসমস মহাকাশ সংস্থার প্রধান দিমিত্রি রগোজিনকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস বলেছে, পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর চলতি বছরের শরৎকালেই নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ পেতে শুরু করবে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রের দায়িত্বে থাকা বিশেষ বাহিনী।

ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার জন্য সামরিক বাহিনীকে অভিনন্দন জানান পুতিন। তিনি বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে সম্পূর্ণ আলাদা এই অস্ত্র আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর যুদ্ধের সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। বাইরের হুমকি থেকে নির্ভরযোগ্যভাবে রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। যারা উন্মত্ত আক্রমণাত্মক বাগাড়ম্বরের মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে আমাদের দেশকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করে, এই অস্ত্র তাদের জন্য চিন্তার খোরাক জোগাবে।’

এমন সময় পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন এই আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হলো, যার কিছুদিন আগেই ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোকে ‘অভাবনীয় পরিণতির’ হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন