বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে খসড়া চুক্তিতে কয়লাসহ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো নিয়ে সুর কিছুটা নরম করা হয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় দরিদ্র দেশগুলোকে আরও বেশি সহযোগিতা করতে ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে ।

এ চুক্তি চূড়ান্ত হতে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী সব দেশকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। ঐকমত্যে পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ার কারণে প্রভাব সামলাতে এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, জলবায়ু সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখার যে লক্ষ্য, তা এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ চলে গেছে।

গত বুধবার জলবায়ু সম্মেলনে প্রথম খসড়া চুক্তি প্রকাশ করা হয়। ওই খসড়া নিয়ে সম্মেলনে এখনো আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই নতুন এ খসড়া চুক্তি প্রকাশ করা হলো। একে প্রথম খসড়া চুক্তির দ্বিতীয় সংস্করণ বলা হচ্ছে।

প্রাক্‌-শিল্পায়নের সময় থেকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য প্যারিস চুক্তিতে সম্মত হয় বিশ্বের দেশগুলো। চুক্তি অনুযায়ী, তাপমাত্রা সীমাবদ্ধ রাখার ওই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বনের নির্গমন ৪৫ শতাংশ কমাতে হবে। আর ২০৫০ সালের মধ্যে নির্গমন আনতে হবে শূন্য শতাংশে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন