বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেক্সিকোতে প্রতিদিন প্রায় ১০ জন নারী হত্যার শিকার হন। দেশটিতে নারীর প্রতি সহিংসতার অবসান চেয়ে হওয়া বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘তাঁরা মারা যাননি, তাঁদের হত্যা করা হয়েছে’।

মেক্সিকো সিটিতে কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় কিছু বিক্ষোভকারী পুলিশের আত্মরক্ষার সরঞ্জাম কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

তুরস্ক সরকারকে নারীর প্রতি সুরক্ষামূলক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইস্তাম্বুলের রাস্তায় বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তুরস্কে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৩৪৫ জন নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার।

স্পেনে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াইকে জাতীয় অগ্রাধিকারের বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে। গতকাল স্পেনের মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার রাস্তায় বেগুনি পতাকা হাতে নিয়ে বিক্ষোভ করেন হাজারো মানুষ।

স্পেনের রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের মুখে ছিল বেগুনি রঙের মাস্ক। এ ছাড়া একই রঙের টুপি ও স্কার্ফে ঢাকা ছিল তাঁদের মাথা। তাঁদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘নারীর প্রতি সহিংসতার এখন সমাধান চাই’।

স্পেনের বিভিন্ন ভবনও বেগুনি রঙে সাজানো হয়েছিল। এসব ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন, ‘আমাদের সবাই এখানে নেই, নিহত ব্যক্তিরা তো আর উপস্থিত হতে পারেননি।’ তাঁদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘আর একটি মৃত্যুও চাই না’।

জাতিসংঘের আঞ্চলিক কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে ২০২০ সালে কমপক্ষে ৪ হাজার ৯১ জন নারী জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়ে মারা গেছেন।

জাতিসংঘের লৈঙ্গিক সমতাবিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন শারীরিক কিংবা যৌন সহিংসতার শিকার হন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন