বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চুক্তিটি বিতর্কের কেন্দ্রে আসে গত আগস্টে। ওই সময় ধর্মীয় ও রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলো চুক্তিটির বিরুদ্ধে লবিং শুরু করে। যদিও এরদোয়ানের মন্ত্রিপরিষদ জনগণকে আশ্বস্ত করেছে, চুক্তিটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে নারী অধিকারকে হেয় করা। নারী অধিকার সমুন্নত রাখা হবে।

এ বিষয়ে পরিবার ও সামাজিক নীতিবিষয়ক মন্ত্রী জেহরা জুমরাত টুইট করেন, ‘আমাদের বর্তমান আইনেই নারীদের অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া আছে। বিশেষত আমাদের সংবিধানে। আমাদের বিচার বিভাগ খুবই প্রগতিশীল ও প্রয়োজনীয় নতুন আইন বাস্তবায়নে যথেষ্ট শক্তিশালী।’

তবে এ চুক্তি বাতিলের ফলে তুরস্কের নারীরা ‘দ্বিতীয় শ্রেণির’ নাগরিকে পরিণত হবেন বলে অভিযোগ করেছে তুরস্কের প্রধান বিরোধী দল। চুক্তিতে ফিরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে দলটি। পার্লামেন্টের বিরোধী দলের নেতা গোকসে গোকেন টুইট করে বলেন, বর্তমান সরকার নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন