বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে এবারের নির্বাচনে কে জয়ী হবেন, তা নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া মূল তিন দলই জয় পেতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে। সম্প্রতি এক জনমত সমীক্ষায় দেখা গেছে, নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থী নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি দেশের তিন-চতুর্থাংশের বেশি ভোটার। যদিও এর মধ্যে ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন রেকর্ডসংখ্যক জার্মান নাগরিক।

এবারের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোট দেবেন জার্মানির ছয় কোটির বেশি নাগরিক। স্থানীয় সময় সকাল আটটা থেকে বিকেল ছয়টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। জনমত সমীক্ষা বলছে, এবারের নির্বাচনে ম্যার্কেলের ক্ষমতাসীন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) সঙ্গে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) তুমুল লড়াই হবে। শক্ত অবস্থানে রয়েছে পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টিও।

জার্মানির আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে আছেন এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎজ। তিনি বর্তমান জোট সরকারে অর্থমন্ত্রী ও ডেপুটি চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্য দুই প্রার্থীর থেকে লড়াইটা তাঁর জন্য তুলনামূলক সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তবে তাঁরা এ–ও বলছেন, শলৎজ জয় পেলেও জোট গঠনের জন্য অন্য দুই দলের সমর্থনের প্রয়োজন হতে পারে। এ নিয়ে শলৎজ বলেন, ‘ভোটারদের নিয়ে জোট গঠনই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাঁরা এসপিডিকে যতটা শক্তিশালী করবে, আমাদের জন্য সরকার গঠন ততটা সহজ হবে।’
নির্বাচনে ম্যার্কেলের দল সিডিইউ থেকে এবার চ্যান্সেলর প্রার্থী হয়েছেন আরমিন ল্যাশেট৷ জার্মানির সবচেয়ে জনবহুল নর্থরাইন ভেস্টফেলিয়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি৷ সবশেষ জরিপে ল্যাশেটের দল এসপিডি দলের তুলনায় পিছিয়ে আছে৷ এর মধ্যে স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার আরমিন ল্যাশেটের সঙ্গে এক প্রচারণা র‌্যালিতে যোগ দেন ম্যার্কেল। সেখানে ল্যাশেটের পক্ষে তিনি বলেন, জার্মানিতে স্থিতিশীলতা দরকার। দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রয়োজন রয়েছে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের। আর এ কাজের জন্য একমাত্র যোগ্য আরমিন।

এদিকে নির্বাচনে গ্রিন পার্টির হয়ে লড়ছেন আনালেনা বেয়ারবক। জার্মানিতে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু নিয়ে আলোচনায় রয়েছে গ্রিন পার্টি। জলবায়ু সংকটের বিষয়টি এ মুহূর্তে জার্মান নাগরিকদের কাছেও একটি আগ্রহের কারণ। নির্বাচনের আগে এক জনমত জরিপে একপর্যায়ে এগিয়েও ছিল গ্রিন পার্টি। সম্প্রতি এক টেলিভিশন বিতর্কে আনালেনা বেয়ারবক বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলার শেষ সুযোগ থাকবে জার্মানির আসন্ন সরকারের। আর এ কাজের অংশ হতে পারে তাঁর দল।

তবে গ্রিন পার্টিই যে শুধু জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সফল হবে, এমনটি মানতে নারাজ জার্মানির অনেক বাসিন্দা। তাঁদের মতে, বাকি দুটি দলেরও প্রাকৃতিক এ সংকট সামলাতে কাজ করার যোগ্যতা রয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন