পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখতেই দেশটির ওপর রাশিয়া হামলা চালায় বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে জোটকে আরও শক্তিশালী এবং উজ্জীবিত করা নিয়ে আলোচনা হয়, যা ইউক্রেন যুদ্ধের আগে পুতিনের লক্ষ্যের ঠিক উল্টো। ইউক্রেনে হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়ার আগে রুশ প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেছিলেন, ন্যাটো সদস্য বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যা রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

কিছুদিন আগেও যেখানে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সাধারণ মানুষের মধ্যে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়া নিয়ে আগ্রহ ছিল না। সেখানে ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর দুটি দেশের অধিকাংশ মানুষই ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সাধারণ মানুষের মতামত দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন বিগত কয়েক সপ্তাহে দেশ দুটির মানুষের চিন্তাভাবনায় কতটা নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। আমার মনে হয় রাশিয়ার কৌশলগত ব্যর্থতার এটা আরেকটি উদাহরণ।’

এদিকে গত শুক্রবার ফিনিশ প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন বলেছেন, ন্যাটোর সম্ভাব্য সদস্যপদ নিয়ে আসছে সপ্তাহে তাদের পার্লামেন্টে আলোচনা শুরু করা হবে। আগামী মধ্য গ্রীষ্মের আগেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

গত মাসেও দেশটির একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী মাগদেলেনা অ্যান্ডারসন ন্যাটোর সদস্যপদ নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি। তবে সুইডেনের এক শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ফিনল্যান্ড কী পদক্ষেপ নেয়, তা পর্যালোচনা করে তাঁর দেশ সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন