বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আল আজকির দাবি, তিনি যে ট্রে আবিষ্কার করেছেন তার নিচে এ ধরনের জেল ব্যবহার করা হয়নি। বরং এর নিচের দিকে গর্ত গর্ত করে নকশা করা। মাংস থেকে চুইয়ে পড়া পানি সে গর্তে জমা হবে। তবে তা মোড়কের বাইরে চুইয়ে পড়বে না।
মাংস বের করে নেওয়ার পর সে মোড়ক ট্যাপের পানিতে ধোয়া যাবে। ঘরের অন্য জিনিসের পাশাপাশি এই প্যাকেটও পুনর্ব্যবহার করা যাবে। এটিতে কোনো রাসায়নিক না থাকায় তা ব্যবহার করা নিরাপদ।

সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল বিদ্যায় ডক্টরেট করছেন আল আজকি। তিনি আরও জানান, বিশেষ ট্রে ব্যবহার করে তৈরি এ মোড়ক উল্টো করে ঝুলালে, নাড়াচাড়া করলে কিংবা ফেলে দিলেও কোনো সমস্যা হবে না। অর্থাৎ যতক্ষণ পর্যন্ত এটি ফেটে না যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেখান থেকে তরল নিঃসৃত হওয়ার সুযোগ নেই।

আল আজকি জানান, আপাতত খাদ্য মোড়কজাত করার জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহারের স্বত্ব নেওয়া হলেও আরও অনেক কাজেই এটি ব্যবহার করা যাবে। তিনি জানান, বিশেষ এই ট্রে তৈরিতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, তা ডায়াপার কিংবা এ–জাতীয় বিভিন্ন দ্রব্য তৈরিতে ব্যবহার করা যাবে।

ওয়েলসভিত্তিক মাংস বাজারজাতকারী কর্তৃপক্ষ মিট প্রমোশন ওয়েলস বলছে, ভোক্তারা খাবার কেনার আগে নিশ্চিত হতে চান, সেগুলো পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রস্তুত করা হয়েছে কি না।

লুক্সেমবার্গভিত্তিক মোড়ক প্রস্তুতকারী কোম্পানি ক্লকনার পেন্টাপ্লাস্টের সঙ্গে যৌথভাবে এই ট্রে তৈরি করেছেন আল আজকি। সেন্সবুরিস, আসডাসহ যুক্তরাজ্যের বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় খাদ্য বাজারজাতকারী কোম্পানি এই ট্রে ব্যবহার করা শুরু করেছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন