বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সোমবার রাতের ঘটনা ছিল এটি। পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, এমন দৃশ্য তথা বাচ্চাদের এমন আবদার হরহামেশাই মা–বাবাদের সামলাতে হয়। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীও এর ব্যতিক্রম নন।

তবে এদিন এখানেই শেষ হয়নি। মেয়েকে ঘুমাতে পাঠিয়ে আবারও লাইভস্ট্রিমের দর্শকদের কাছে ফিরে যান জেসিন্ডা। সবাইকে বলেন, ‘দুঃখিত’। তারপর তিনি জানান, মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে লাইভ করতে বসেছিলেন, মেয়ে ঘুম ভেঙে উঠে গেছে। জেসিন্ডা বলেন, ‘ভেবেছিলাম ফেসবুক লাইভ করার এটাই সুযোগ। এটাই নিরাপদ ও সুন্দর সময়। আর কেউ কি আছেন যাঁদের বাচ্চা ঘুমাতে গিয়ে তিন– চারবার উঠে যায়? তা–ও ভালো আমার মা এখানে আছেন। ওকে সামলাতে সহযোগিতা করছেন।’

এরপর ফেসবুক লাইভে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন জেসিন্ডা। বলেন, ‘আচ্ছা, আমরা কী নিয়ে যেন কথা বলছিলাম?’ তখনই আবার শোনা গেল সেই ছোট্ট কণ্ঠ। জেসিন্ডার মেয়ে আবার মাকে ডেকে ওঠে, ‘এত দেরি হচ্ছে কেন?’
জবাবে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন, ‘আমি দুঃখিত, মা। অনেক দেরি হচ্ছে।’ এরপর আবারও দেশবাসীর কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে জেসিন্ডা বলেন, ‘আমি শুধু যাব আর নিভকে ঘুম পাড়াব। কারণ এটিই তার ঘুমানোর সবচেয়ে ভালো সময়। আমার সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ।’

২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জেসিন্ডা। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র ছয় দিন আগে আরডার্ন জানতে পারেন, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। এটি তাঁর জন্য দারুণ খবর ছিল। আর সব মায়ের মতো তিনিও এ নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন। ২০১৮ সালের ২১ জুন সরকারি অকল্যান্ড সিটি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন জেসিন্ডা। তাঁর আগেও একজন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকার সময় মা হয়েছেন। তিনি হলেন পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো। ১৯৯০ সালে তিনি সন্তানের জন্ম দেন।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন