বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মাখোঁর এ বক্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, যে শব্দ ব্যবহার করেছেন, একজন প্রেসিডেন্ট তা করতে পারেন না।

ফ্রান্সের করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন বিল এনেছে মাখোঁর দল। কিন্তু পার্লামেন্টে এই বিল আটকে দিয়েছে বিরোধীরা। এরপর এমন মন্তব্য করলেন মাখোঁ।

নতুন এই বিলে টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিলটি চলতি সপ্তাহে পাস হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যাঁরা টিকাবিরোধী, তাঁরা এ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা বলেছেন, এমন পদক্ষেপ নেওয়ায় তাঁরা হত্যার হুমকিও পেয়েছেন।

এ পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার ফ্রান্সের একটি দৈনিক পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেন মাখোঁ। এ সময় তিনি বলেন, তিনি জোর করে জনগণকে টিকা দিতে চান না। তিনি আশা করছেন, টিকা না নেওয়া সাধারণ মানুষ যেভাবে জীবন যাপন করেন, তার ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করলে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে তাঁরা উৎসাহিত হবেন।

মাখোঁ বলেন, ‘আমি তাদের (টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের) কারাগারে পাঠাব না। আমাদের এটা বলা প্রয়োজন, ১৫ জানুয়ারি থেকে আপনি রেস্তোরাঁয় যেতে পারবেন না, কফি পান করতে যেতে পারবেন না। ১৫ জানুয়ারি থেকে থিয়েটারে যেতে পারবেন না, সিনেমা হলে যেতে পারবেন না।’

ফ্রান্সের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপের অন্যতম এপিসেন্টারে পরিণত হয়েছে ফ্রান্স। করোনার নতুন ধরন অমিক্রনের কারণে সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের এ বক্তব্যের সঙ্গে পরিসংখ্যাও মিলে যাচ্ছে। ইউরোপের সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে ফ্রান্সে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে ফ্রান্সে নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন বাসায় থেকে কাজ করবেন। এ ছাড়া বড় জনসমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেউ গণপরিবহনে খাবার খেতে বা পানীয় পান করতে পারবেন না। ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে দেশটিতে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন