বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল শনিবার মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতির আগে ২০১৯ সালে ১ হাজার ৩১৬টি গাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর গত বছর বর্ষবরণের সময় করোনা পরিস্থিতি চলায় এবং কারফিউ জারি থাকায় বর্ষবরণের সময় গাড়ি পোড়ানোর ঘটনা তেমন একটা দেখা যায়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় এ বছর বেশিসংখ্যক মানুষকে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়েছে। গতকাল ৪৪১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২০১৯ সালে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা মানুষের সংখ্যা ছিল ৩৭৬।

সিএনএন-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা স্ট্রাসবুর্গে ৩১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, এর মধ্যে ৬টি শিশু রয়েছে। কারফিউ ভঙ্গ করার কারণে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর বাকিদের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। স্ট্রাসবুর্গ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় চারজন পুলিশ কর্মকর্তা সামান্য আহত হন।

ফরাসি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এবার নববর্ষ উদ্‌যাপনের সহিংস পরিস্থিতি ঠেকাতে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর প্রায় ৯৫ হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছিল, এর মধ্যে ৩২ হাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মী রয়েছেন।
এদিকে ফ্রান্সে করোনার বিধিনিষেধ আংশিক প্রত্যাহার করা হলেও অমিক্রনকে কেন্দ্র করে এ মাসে নতুন বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। ৩ জানুয়ারি থেকে আবদ্ধ কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যাঁদের পক্ষে বাড়িতে থেকে অফিস করা সম্ভব হবে, তাঁদের জন্য তা করা বাধ্যতামূলক করা হবে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্যারিসে আবারও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মাস্ক না পরায় সেখানে ৭৭৯ জনকে জরিমানা করা হয়েছে।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন