এবারের নির্বাচনে আবার জয়ের আশা দেখছেন ২০১৭ সালের নির্বাচনে বড় কোনো দলের সমর্থন ছাড়াই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া এমানুয়েল মাখোঁ। সেবার মাখোঁর জয়ের পর তাঁর দল লা রিপাবলিক এন মারশে পার্লামেন্ট নির্বাচনেও জয় পায়। সাবেক ব্যাংকার মাখোঁ ফ্রান্সের সাবেক সমাজতন্ত্রী প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাদের সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান বলছে, এমানুয়েল মাখোঁ মধ্য-ডানপন্থার দিকে ঝুঁকছেন বলেই মনে করছেন ভোটাররা।

২০১৭ সালে ফ্রান্সের সবচেয়ে কমবয়সী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার এক বছরেও কম সময় আগে বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে লা রিপাবলিকা এন মারশে নামে রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু করেন মাখোঁ। এরপর পাঁচ বছর ফ্রান্সের রাজনীতিতে আধিপত্য করে চলেছেন তিনি। তবে ৪৪ বছর বয়সী মাখোঁকে এবার কঠিন চ্যালেঞ্জই জানাচ্ছেন মেরিন লঁ পেন।

মাখোঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডানপন্থী প্রার্থী মেরিন লঁ পেনের রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা। তিনি এবার ন্যাশনাল র‌্যালির (সাবেক ন্যাশনাল ফ্রন্টের) প্রার্থী। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ছেন। মেরিন লঁ পেনের এবার জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। অনেকে বলছেন, এবার না জিতলে ৫৩ বছর বয়সী পেনের রাজনৈতিক জীবনের এখানেই শেষ।

ফ্রান্সের এবারের নির্বাচনে বামপন্থী প্রার্থী জ্যাঁ-লুক মেলেশঁ। মাখোঁ ও মেরিন লঁ পেনের পর তিনি আছেন লড়াইয়ে। তিনি ফ্রান্স আনবাউড দলের প্রার্থী। এর আগে তিনি ফ্রান্সের সোশ্যালিস্ট পার্টিতে ছিলেন। তবে দল ছাড়ার পর থেকে বামপন্থী বিভিন্ন পক্ষের হয়ে দাঁড়িয়েছেন। গত দুই নির্বাচনেও প্রার্থী ছিলেন তিনি। প্রতিবার ১০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন। ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্টে নির্বাচনে বিরোধী সোশ্যালিস্ট পার্টির প্রার্থীর চেয়েও বেশি ভোট পেয়েছিলেন মেলেশঁ।