বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাশিয়াকে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে বিচ্ছিন্ন করতে ও রুশ অর্থনীতিকে চাপে ফেলতে লাগামহীনভাবে রাজনৈতিক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে লন্ডন। এ জন্য পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

বরিস জনসন ছাড়াও রুশ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা হলেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস; প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস; বিচারমন্ত্রী ডমিনিক রাব; পরিবহনমন্ত্রী গ্র্যান্ট শাপস; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল; অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক; জ্বালানিমন্ত্রী কাওসি কাওয়ারতেং; তথ্য, গণমাধ্যম ও ক্রীড়াবিষয়ক মন্ত্রী নাদিন ডরিস, সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী জেমস হ্যাপে।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরও রয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ থেরেসা মে ও স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা র্স্টারজিওন।

রুশ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকায় তাঁরা কেউই রাশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না। এর আগে গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনসহ মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর একই রকমের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল মস্কো।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। এর পরপরই রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা দেশগুলো। এসব নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাশিয়ার সামগ্রিক অর্থনীতি, বিশেষত জ্বালানি খাতকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেছে পশ্চিমারা।

ইউরোপ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন